হাইব্রিড করলা চাষ পদ্ধতি II উচ্ছে চাষের সহজ নিয়ম II কিভাবে উচ্ছে চাষ করলে প্রচুর ফলন পাবেন II

উস্তা চাষ করার সঠিক নিয়ম I

কিভাবে উচ্ছে চাষ করলে প্রচুর ফলন পাবেন I
আধুনিক উচ্ছে চাষ পদ্ধতি I
উচ্ছে চাষের সহজ নিয়ম I




প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ-


কার্বোহাইড্রেট : ৩.৭০ গ্রাম,
প্রোটিন : ১ গ্রাম,
ফ্যাট : ০.১৭ গ্রাম,
খাদ্য আঁশ : ২.৮০ গ্রাম,
নায়াসিন : ০.৪০০ মিলিগ্রাম,
প্যান্টোথেনিক এসিড : ০.২১২ মিলিগ্রাম,
ভিটামিন এ : ৪৭১ আই ইউ,
ভিটামিন সি: ৮৪ মিলিগ্রাম,
সোডিয়াম ; ৫ মিলিগ্রাম,
পটাশিয়াম : ২৯৬ মিলিগ্রাম,
ক্যালসিয়াম : ১৯ মিলিগ্রাম,
কপার : ০.০৩৪ মিলিগ্রাম,
আয়রন: ০.৪৩ মিলিগ্রাম,
ম্যাগনেসিয়াম : ১৭ মিলিগ্রাম,
ম্যাঙ্গানিজ: ০.০৮৯ মিলিগ্রাম,
জিংক : ০.৮০ মিলিগ্রাম।


উপকারিতা


অ্যালার্জি প্রতিরোধে এর রস দারুণ উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উত্তম।
প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করলার রস খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বাতের ব্যাথায় নিয়মিত করলা রস খেলে ব্যাথা আরোগ্য হয়। আর্য়ুবেদের মতে করলা কৃমিনাশক, কফনাশক ও পিত্তনাশক।
করলার জীবাণু নাশক ক্ষমতাও রয়েছে। ক্ষতস্থানের উপরে পাতার রসের প্রলেপ দিলে এবং উচ্ছে গাছ সেদ্ধ জলদিয়ে ক্ষত ধুলে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষত শুকিয়ে যায়। অ্যালার্জি হলে এর রস দু চা চামচ দুবেলা খেলে সেরে যাবে। চর্মরোগেও করলা বেশ উপকারী। এছাড়া জন্ডিস ও লিভারের অসুখে খাবারে অরুচি দেখা দিলে করলা খেলে রুচি আসে।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap