আখ চাষ পদ্ধতি। আখ রোপণ সময়।আখ গাছের পরিচর্যা। প্রতি বিঘাতেই লাভ ২ লক্ষ টাকা। sugarcane cultivate ।

m2R Travels
2021
In this channel I will show you Beautiful Bangladesh.
So please subscribe my channel.
আমাদের video watch করতে links click করুন👇👇👇👇

🧭🧭🧭 ঐতিহাসিক মোঘল মসজিদ। ঘাগড়া খান বাড়ী লস্কর জামে মসজিদ।Historic Mughal Mosque. Ghagra Khan Bari Lashkar Jame Mosque.
https://youtu.be/TVQvdkjAT90

🧭🧭🧭 বাণিজ্যিক ভিক্তিক ড্রাগন ফলের চাষ করার পদ্ধতি।How to cultivate commercial based dragon fruit.
https://youtu.be/nKKfYgrigiE

🧭🧭🧭 বাণিজ্যিক ভিক্তিক আখ চাষ পদ্ধতি। Commercial based sugarcane cultivation method.
https://youtu.be/wnD2eMCC_ls

🧭🧭🧭 ঐতিহাসিক শাহী বারদোয়ারী মসজিদ। মোঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
https://youtu.be/rtDKhDFMBIY

🧭🧭 বাণিজ্যিক ভিক্তিক লেবুর বাগান
https://youtu.be/hLIhYaP-0yg

🧭🧭🧭বাণিজ্যিক ভিক্তিক হাঁস ও মাছের সমন্বিত খামার // Featuring commercial based duck and fish
https://youtu.be/vKwkJwBtX0s

🧭🧭🧭 ঐতিহ্যবাহী চৈতাজানি জামে মসজিদ।
https://youtu.be/9JSb7V75Rz4

🧭🧭🧭 Bangladeshi cat life style
https://youtu.be/dDe1nhZJHY0

🧭🧭🧭নানা নাতির দোলনায় দুলতে থাকে
https://youtu.be/w7ROeUIJFAs

🧭🧭🧭red shalik birds//লাল শালিক পাখি।
https://youtu.be/Ue6Qj00xyok

🧭🧭🧭 govt.Ashak Mahmud National University College
https://youtu.be/BU0VlofyWXI

🧭🧭🧭 Bhamaputto bridge // শেরপুর জামালপুর সেতু।
https://youtu.be/LyrF7nwozSk

🧭🧭🧭 Traditional duck chicken & pigeon better hut // ঐতিহ্যবাহী তিনানী বাজার হাঁস মুরগি কবুতরের হাট ঝিনাইগাতী।
https://youtu.be/Kfl27Tdo0JY

আখ চাষ পদ্ধতি:-
আখ বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল৷ পাট ও তামাকের মতো আখও চাষীদেরকে নগদ অর্থে আজকাল পাট চাষের চেয়ে আখ চাষ অধিক লাভজনক বলে চাষীরা পাটের চেয়ে আখ চাষেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাতেই কিছু না কিছু আখের চাষ হয়, তবে জলবায়ুর প্রভাব অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো আখ চাষের জন্য উপযোগী৷
আখ পরিবারভুক্ত ঘাস জাতীয় l দণ্ডাকৃতির ডাল
াহীন একবর্ষ বা বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ৷
গাছের পাতা কিছুটা ভুট্টার পাতার ন্যায় তবে অধিকতর শক্ত ও খাড়া, সুচালো ও কিনারা ধারযুক্ত৷
আখদন্ড উচ্চতায় ১.৮৫-৩.৭২ মিটার পর্যন্ত এমনকি ঌ.৩ মিটার পর্যন্ত হয়৷
দন্ডের কোনোটি নরম এবং কোনোটি শক্ত, তবে সব দন্ডই গিটযুক্ত ৷
আখ দণ্ডের কোনোটির হালকা, বেগুনি, কোনোটি সবুজ ও কোনোটি হলদে সবুজ বংয়ের হয়ে থাকে৷

চাষের উপযুক্ততা:-
চাষের মৌসুম : অক্টোবর-এপ্রিল (কার্তিক-চৈত্র) এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে রোপণ করা যায় ৷ তবে আগাম রোপনই উত্তম, কারণ এই সময়ে রোপণ করলে-
আঁখ যথেষ্ট বৃদ্ধি হয়ার সুযোগ পায়,
আঁখের অংকুর উদ্গম ঠিকমত হয়, এবং
আঁখের সাথে সাথি ফসল চাষ করা যেতে পারে।

মাটির ধরন:-
এঁটেল, দোঁআশ ও এঁটেল-দোঁআশ মাটিতে আখ ভালো জন্মে৷ গভীর পলিমাটিতেও আখ ভালো উত্পন্ন হয়৷ বেলে ও ইট পাটকেলযুক্ত মাটিতে আখ মোটেই ভালো হয় না৷ আখের জমি উচু ও সমতল হওয়া বাঞ্ছনীয়৷ যেসব নিচু জমিতে সহজেই পানি জমে যায় এবং পানির নিঃসরণ ভালো হয় না সেসব জমি আখ চাষের উপযোগী নয়৷

চাষের জন্য উপযুক্ত অঞ্চল:-
বাংলাদেশের প্রতি জেলাতেই কিছু না কিছু আখের চাষ হয়, তবে জলবায়ুর প্রভাব অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো আখ চাষের জন্য উপযোগী৷ তাই দেখা যায় রাজশাহী, রংপুর দিনাজপুর, যশোহর ও কুষ্টিয়া জেলায় প্রচুর আখ জন্মে৷ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো মধ্যে ফরিদপুর, ঢাকা ও জামালপুরেও আখের আবাদ ভালো হতে দেখা আছে৷

জমি তৈরি পদ্ধতি:-
আখের জমি ৩/৪ বার চাষ ও বার কয়েক মই দিয়ে প্রস্তুত করতে হয়৷ জমি তত সূক্ষ্নভাবে/ খুব মিহি করে চাষ করার প্রয়োজন হয় না৷ পূর্ববতী ফসল আখ হলে সে ফসলের গোড়া জমি হতে উঠিয়ে অন্যত্র ফেলে দিতে হবে৷ যেহেতু আখের জমিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন সেজন্য সমস্ত জমিকে ৫০ ফুট অর্থাত্ ১৫.১ মিটার প্রশস্ত ও ১০০-২০০ ফুট অর্থাত্ ৩১-৬২ মিটার দৈর্ঘ্য ফালিত ভাগ করে নিলে নিষ্কাশনের জন্য নালা কাটা সুবিধাজনক হয়৷

বীজ নির্বাচন ও সংগ্রহ :-
আখের বীজ বলতে আখের ছোট ছোট টুকরাকেই বোঝায়৷ যে আখ ফসলে রোগ পোকার আক্রমণ ও ভিন্ন জাতের মিশ্রণ নেই সে যেন ফসল হতেই বীজ সংগ্রহ করা শ্রেয়৷ একটি আখ দণ্ডের দিক হতে বীজ সংগ্রহ করা ভালো, কারণ আগার দিকের বীজ হতেই ভলো চারা গজায়৷ তাই আগের দিনে চাষীরা শুধু আখের আগা হইতে একটি মাত্র চারা বা বীজ সংগ্রহ করতেন৷ আসলে নিচের দিকের কিছু অংশ বাদ দিয়ে সমস্ত আখটাই বীজ হিসেবে ব্যবহার করা যায়৷ তাই পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে সম্পূর্ণ আখটাই নালায় লম্বালম্বি ফেলে মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়৷ বীজের জন্য কোনো ক্ষেতের আখ নির্বাচন করার পর সেখান হতে বীজ সংগ্রহ করা হয়৷ প্রতিটি আখ ধারালো দার সাহায্যে টুকরা টুকরা করতে হয়৷ প্রতি টুকরাতে তিনটি করে চোখ *



বীজ বপন পদ্ধতি:-
কার্তিক-অগ্রহায়ণ হতে শুরু করে ফাল্গুন-চৈত্র মাস পর্যন্ত আখ বপন করা যায়৷ তবে প্রথমোক্ত সময়টিই শ্রেয়৷ নালায় বা ভাওরে কয়েক পদ্ধতিতে বীজ লাগানো যায়৷ মাটির রস, বীজের অবস্থা ও পরিমাণের উপর নির্ভর করে ।
সেচ ব্যবস্থাপনা:-
যদি বীজ বপনের পর দেখা যায় যে ১০/১৫ দিনের মধ্যেও অন্কুর বের হচ্ছে না তা হলে হালকা ধরনের সেচ দেওয়া ভালো

আখ চাষীরা সাধারণত আখ ফসলে পানি সেচ দেয় না৷ কিন্তু উত্তম ফলনের জন্য জমিতে সেচ দেওয়া অত্যাবশ্যক৷ আখ দীর্ঘস্থায়ী ফসল, প্রায় এক বত্সরকাল তা মাঠে থাকে৷ এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে অন্তত দুটি সময়ে পানি ফসলটির জন্য পানি বিশেষভাবে প্রয়োজন হয়৷

আগাছা দমন ও মাটি আলগা করা
আখের জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা জন্মে। সময়মতো তা নিধন করা প্রয়োজন। দুই থেকে তিনবার আগাছা পরিষ্কার করার প্রয়োজন হতে পারে। সে সাথে নালার মাটি নরম করে দিতে হয়।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap